ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলি

file

ভারত ও পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকার নিয়ন্ত্রণ রেখায় (লাইন অব কন্ট্রোল) দু’পক্ষ মর্টারের গোলা ও গুলিবিনিময় করে।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পুঞ্চের সাউজিয়ান সেক্টরে প্রায় ৮ মিনিট ধরে এ গোলাগুলি চলে।

সন্ধ্যার পরই সীমান্তে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। তবে এতে কারও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর তৎক্ষণাৎ মেলেনি।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কাশ্মীরের উরি সেনাঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলা ১৮ ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ সম্পর্কে উত্তেজনা এখন চরমে। দু’পক্ষই সীমান্তে সেনা মোতায়েন ও তৎপরতা বাড়িয়েছে। দফায় দফায় যুদ্ধবিমানের মহড়া চালাচ্ছে পাকিস্তান। আর ভারতও প্রস্তুত করছে তাদের যুদ্ধবিমানকে।

দু’পক্ষের মধ্যে বাকযুদ্ধের মধ্যে মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বয়কট করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

লেনেভো বাজারে আনল আইডিয়াপ্যাড ৩১০

file-2

গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড, লেনোভোর অনুমোদিত পরিবেশক এবার বাংলাদেশে নিয়ে এলো আইডিয়াপ্যাড ৩১০। যে সকল ক্রেতারা আধুনিক প্রযুক্তির ল্যাপটপ খুঁজে বেড়ান তাদের জন্য লেনোভো নিয়ে এসেছে এই ৩১০সিরিজের আইডিয়াপ্যাড।

আধুনিক প্রযুক্তিতে পূর্ণ এই আইডিয়াপ্যাডটি নিয়ে লেনোভোর ডিজিএম হাসান রিয়াজ বলেছেন, ‘এই ল্যাপটপটি ব্যবহারকারীদের চাহিদা এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে।’

বর্তমানে ষষ্ঠ প্রজন্মের আওতায় কোরআই-৩, কোরআই-৫ এবং কোরআই-৭ এই তিন ধরনের প্রসেসর সমৃদ্ধ আইডিয়াপ্যাড বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড।

এই আইডিয়াপ্যাড সিরিজের ল্যাপটপগুলো পুরোনো মডেলের ল্যাপটপগুলোর থেকে অধিক দ্রুত এবং এর নতুন প্রযুক্তির ব্যাটারী দীর্ঘস্থায়ী এবং অধিক সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে। এই ল্যাপটপটিকে বিশেষায়িত করে এর স্টাইলিশ মোড যার মাধ্যমে ল্যাপটপটির ডিসপ্লে ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ভাঁজ করা যায়। যা ব্যবহারের জন্য খুবই উপযোগী।

মূলত ষষ্ঠ প্রজন্মের ডিডিআর ৪ যুক্ত এই ল্যাপটপগুলোতে রয়েছে ৪ জিবি থেকে ৮ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম এবং ১ টিবি হার্ডডিস্ক। রয়েছে ইনটেল এইচডি ৫২০ গ্রাফিক্স যা স্বচ্ছ ও নয়নাভিরাম ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট দিয়ে থাকে এবং ১৪ ইঞ্ছি ও ১৫.৬ ইঞ্ছি ডিসপ্লে সমৃদ্ধ। এতে মুভি দেখা থেকে শুরু করে অন্যান্য দৈনন্দিন কাজগুলো হয় আরও স্বাচ্ছন্দ্যের। দারুন মিউজিক এর জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ডলবি মিউজিক। অপারেটিং সিস্টেম ডস সমৃদ্ধ এই ল্যাপটপটির মূল্য মাত্র ৩৭,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

১ বছরের (আরও অতিরিক্ত ১ বছর রেজিস্ট্রেশেনের মাধ্যমে) ইন্টারন্যাশনাল ওয়ারেন্টিসহ এই ল্যাপটপটি পাওয়া যাচ্ছে গ্লোবালব্র্যান্ডের যেকোন শাখায় অথবা নির্ধারিত ডিলার হউজে।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে আমড়া

amra-1

আমাদের দেশে আমড়া অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল। জনপ্রিয়তার দিক থেকেও কম নয়।ফলটি খেতেও সুস্বাদু। তবে কাঁচা আমড়াই খেতে ভালো।

লবণ ও মরিচ গুঁড়া মেখে ফলটি বেশি খাওয়া হয়। আচার, চাটনি, ভর্তা, ডালের মধ্যে দিয়েও আমড়া খাওয়া যায়।

ছোট্ট এই ফলটি আছে যাদুকরি উপকার। স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের ঝুঁকি কমাতে এর জুরি মেলা ভার।

শুধুই কি স্ট্রোকের ঝুঁকি জেনে নেওয়া যাক কেন খাবেন আমড়া—

ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়

প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানসমৃদ্ধ আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে

আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা মাড়ি ও দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

ফলটিতে প্রচুর আঁশ আছে। যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ

ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের চিকিৎসা সেভাবে এখনো চালু হয়নি। এই রোগটি থেকে প্রতিকার পাওয়া যায় না তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। এ কারণে বেশি বেশি আমড়া খাওয়া খেতে হবে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

অরুচি দূর

আমড়া খেলে অরুচি দূর হয়ে যায়। এটি ক্ষুধা বাড়েতে বেশ কার্যক্রর। এ কারণে শিশুদের বেশি করে আমড়ার ডাল খায়ানো উচিত। এতে শিশুর খাওয়ার রুচি বাড়বে।

সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি

বাহ্যিক সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতেও আমড়া বেশ কার্যকর। এর ভিটামিন সি ত্বক, নখ ও চুলের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে।

গর্ভাবস্থায় শিশুর রং ফর্সা করবে যে খাবার

file-1

গবেষকরা বলছেন, মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই সন্তানের বর্ণ নির্ধারিত হয়। আর এই বর্ণ মায়ের খাদ্যাভাসের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

সুস্থ ও সুন্দর শিশু সবাই চায়। আর এ কারণে গর্ভকালীন সময়ে মায়ের খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে। বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বদঅভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে।

জেনে নেওয়া যাক কি কি খাবার শিশুকে সুস্থ ও সুন্দর হতে সাহায্য করবে।

-গর্ভাবস্থায় জাফরান দেওয়া দুধ পান করুন বেশি বেশি। জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রং ফর্সা করতে সাহায্য করবে।

-প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।

-গর্ভবতী নারীদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ শিশুর শরীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। দুধও শিশুর রং ফর্সা করতে সহায়ক।

-গর্ভাবস্থায় নিয়ম করে ডিম খান। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। যা শিশুর শরীর গঠনে সহায়ক। পাশাপশি শিশুর রং ফর্সা করতেও সাহায্য করবে।

-চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল সুন্দর ত্বকের জন্য বেশি করে খাবেন।

-টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এ কারণে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় টমেটো রাখতে হবে।

-কমলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। যা শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক ভালো হবে।

রক্তের গ্রুপ নিয়ে যত কথা

file‘আমি যখন বাবা-মায়ের কাছ থেকে আমার রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে জানতে পারি যে এটি এ+ তখন আমার গর্বের সীমা ছিল না। কারণ স্কুলে এ+ গ্রেড পাওয়ার জন্য মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। আর এ দারুণ গ্রুপটি আমি পেয়েছি নিজের রক্তে!’ এভাবেই নিজের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে গর্ব প্রকাশ করছিলেন লেখক কার্ল জিমার। রক্তের গ্রপ নানা মানুষের কাছে নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এর বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

অস্ট্রিয়ান চিকিৎসক কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০০ সালে রক্তের বিভিন্ন গ্রুপের বিষয়টি আবিষ্কার করেন এবং এজন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। এরপর থেকে এ বিষয়ে নানা গবেষণা হয়েছে এবং বিষয়টি ক্রমে উন্নতি লাভ করেছে। এতে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর রক্তের ধরনের বহু প্রভাব লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

রক্তের গ্রুপ আলাদা কেন? কী কারণে রক্তের গ্রুপগুলো আলাদা? এ বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বায়োলজিস্ট অজিত ভার্কি বলেন, ‘রক্তের গ্রুপ আবিষ্কারের পর নোবেল অর্জনের প্রায় এক শতাব্দী পার হয়ে গিয়েছে। এখনও আমরা জানি না, কেন এগুলো আলাদা।’ জীবন রক্ষায় রক্ত মানুষের জীবন রক্ষার জন্য রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আমরা রক্তের ধরন অনুযায়ী যে কোনো ব্যক্তিকে অন্যজনের রক্ত প্রদান করতে পারি। তবে আগে এ বিষয়টি যখন আবিষ্কৃত হয়নি তখন তা মোটেই সম্ভব হয়নি। সে সময় অনেক চিকিৎসকই রক্তের মারাত্মক অভাব পূরণের জন্য বিভিন্ন প্রাণীর রক্ত দিয়ে চেষ্টা করেছিলেন। একজন ফরাসী চিকিৎসক গরুর রক্ত মানুষের দেহে সঞ্চালনের চেষ্টা করেন। তবে তাকে সে রক্ত দেওয়ার পর দ্রুত তিনি ঘামতে ও বমি করতে শুরু করেন। এরপর তার প্রস্রাব কালো হয়ে যায় এবং তিনি মারা যান।

তবে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের পর এ বিষয়টি সহজ হয়ে আসে। অবশ্য ১৯ শতকেও অল্প কয়েকজন চিকিৎসক এ কাজে সাহস করে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন ব্রিটিশ চিকিৎসক জেমস ব্লানডেল। সে সময় সন্তান জন্মগ্রহণ করাতে গিয়ে বহু নারী দেহের রক্তশূন্যতায় মারা যেতেন। অন্য চিকিৎসকদের মতো এ বিষয়ে পিছিয়ে না থেকে তিনি সে সময় রক্ত সঞ্চালনে এগিয়ে আসেন। তিনি জানান, মানুষকে শুধু মানুষের রক্তই দিতে হবে, অন্য কোনো প্রাণীর নয়। এরপর তিনি রক্ত সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণও তৈরি করেন, যা ব্যবহার করে বহু মানুষের জীবন রক্ষা সম্ভব হয়।

বিভিন্ন ধরনের রক্তের গ্রুপ ১৯৯৬ সালে পিটার ডি’অ্যাডামো নামে একজন গবেষক বিভিন্ন ধরনের রক্তের ধরনকে আমাদের অতীতকালের বিভক্তির ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করেন। ‘ইট রাইট ফর ইওর টাইপ’ নামে বইতে তিনি লিখেছেন আমাদের রক্তের ধরন অনুযায়ী খাবার খাওয়া উচিত। এটি আমাদের বিবর্তনের ইতিহাসের সঙ্গেও মানানসই বলে তিনি মনে করেন। তিনি দাবি করেন এটি অতীতে মানুষের ইতিহাসকে প্রতিনিধিত্ব করে। তার মতে ‘ও’ টাইপ রক্ত যাদের তারা আফ্রিকাতে শিকারী জীবনযাপনকারীদের প্রতিনিধিত্ব করেন, ‘এ’ টাইপ রক্ত যাদের তারা কৃষিজীবীদের প্রতিনিধিত্ব করেন, ‘বি’ টাইপ রক্ত যাদের তারা হিমালয়ের উচ্চ অঞ্চলে জীবনযাপনকারীদের প্রতিনিধিত্ব করেন অন্যদিকে টাইপ এবি হলো এ ও বি-এর মিশ্রণ।

পিটারের মতে এ টাইপ রক্ত যাদের তাদের শুধু সবজি খাওয়া উচিত। অন্যদিকে যাদের ‘ও’ টাইপের রক্ত রয়েছে তাদের আমিষ খাওয়া উচিত বেশি করে। এ ধরনের খাবার পছন্দ করা হলে তা নানা রোগের ঝুঁকি কমাবে বলেও তিনি মনে করেন।

মেসি ছাড়াই বেশী ম্যাচ জিততে পারে বার্সা!

lionel_messi-324x215

বুধবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে জার্মানির মাঠে বরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। সেই ম্যাচের আগে লিওনেল মেসির ইনজুরি বার্সাকে দুর্ভাবনায় ফেলেছে। গ্রোইনের ইনজুরির কারণে আগামী তিন ম্যাচে কাতালান ক্লাবটির হয়ে খেলতে পারবেন না কিং লিও।

তবে চাইলে মেসির না থাকা নিয়েও স্বস্তিতে থাকতে পারে লুইস এনরিকের দল। এই আর্জেন্টাইন সুপারস্টারকে ছাড়াই যে ভালো খেলে স্প্যানিশ জায়ান্টরা! অবাক করা ব্যাপার হলেও পরিসংখ্যান কিন্তু সেটাই বলছে।

বার্সেলোনার হয়ে চারবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতেছেন মেসি। ২০০৬, ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৫ সালে শিরোপায় চুমু আঁকেন তিনি। ২০০৬ সালে ইনজুরির কারণে অনেকটা সময় দলের বাইরে থাকলেও শেষের তিনবার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েই বার্সাকে শিরোপা জেতান এলএম টেন। তবে মেসি মাঠের বাইরে থাকা অবস্থায়ই শতকরার হিসেবে বেশি ম্যাচ জিতেছে বার্সা।

বার্সেলোনার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৯৮টি ম্যাচ খেলে ৬০টি জয় পেয়েছেন মেসি। ২৩ ড্রয়ের বিপরীতে হার ১৫টি। জয়ের হার শতকরা ৬১.২৫।

অন্যদিকে বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার পর ৩৪টি ম্যাচে দলের বাইরে ছিলেন মেসি। এই ৩৪ ম্যাচের ২২টিতে জয় পায় বার্সা এবং আটটি ম্যাচ ড্র হয়। মেসিকে ছাড়া চারটি ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখে কাতালান ক্লাবটি। জয়ের হার ৬৪.৭। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, মেসিকে ছাড়াই বেশি জয় পায় বার্সা।

অবশ্য মেসি না থাকলে গোলের হিসেবে কিছুটা প্রভাব পড়ে। কিং লিওর উপস্থিতিতে ৯৮ ম্যাচে ২১৫ গোল করেছে বার্সা। অন্যদিকে তার অনুপস্থিতিতে ৩৪ ম্যাচে ৬১ গোল করে কাতালান ক্লাবটি। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, মেসি থাকলেই গোলমুখে আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয় ন্যু-ক্যাম্পের দলটি। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা খেলেছেন এমন ম্যাচে গড়ে ২.২ গোল করেছে বার্সা। অন্যদিকে মেসির অনুপস্থিতিতে সেটি ১.৮ এ নেমে গেছে।

বল দখলেও মেসির প্রভাব লক্ষণীয়। মেসি খেলেছেন এমন ম্যাচে ৬৮.৮% বল দখলে রেখেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে তাকে ছাড়া সেটি নেমে গেছে ৬৬.৩% এ। মেসির উপস্থিতিতে নিখুঁত পাসের হার যেখানে ৮০.৬%; তার অনুপস্থিতিতে সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪.৭% এ।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে সেল্টিককে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শুভসূচনা করে বার্সেলোনা। বুধবার প্রতিপক্ষের মাঠে মনশেনগ্লাডবাখের বিপক্ষে মেসিকে ছাড়া কঠিন পরীক্ষাই অপেক্ষা করছে এনরিকের দলের জন্য। তবে পরিসংখ্যান কিন্তু নির্ভারই রাখছে বার্সাকে।

বিপিএলের সাত আইকন চূড়ান্ত

49d59ddf1b4f6280177ee393b15615edবিপিএলের চতুর্থ আসরের প্লেয়ারস ড্রাফট আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। এর আগে বিপিএল কর্তৃপক্ষ চলতি আসরের জন্য সাত আইকন খেলোয়াড়ের তালিকা ঠিক করেছে। আর তারা হলেন- মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ, সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার। গত আসরে আইকন নাসির এ তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।

এবারের বিপিএলে ‘আইকন’ না রাখার চিন্তাভাবনা হয়েছিল প্রথমে। তবে ২২ সেপ্টেম্বরের টেকনিক্যাল কমিটির সভায় আইকন শ্রেণি রেখেই খেলোয়াড় তালিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর আইকনদের প্লেয়ারস ড্রাফটে তোলা হবে না। পছন্দমতো দল বেছে নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছে তাদের।

এদিকে আইকন শ্রেণির সাত ক্রিকেটারের সবার মূল্য সমান নয়। অনুমিতভাবেই সাকিব আল হাসান সবচেয়ে ‘দামি’ (৫৫ লাখ টাকা)। এর পরেই যথাক্রমে আছেন তামিম ইকবাল (৫০ লাখ), মুশফিকুর রহিম (৫০ লাখ), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৫০ লাখ) ও গত আসরের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা (৫০ লাখ)। আর সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার (যাদের মূল্যমান ৪০ লাখ করে)।

বিপিএল-এর এবারের আসরে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ১১ জন খেলোয়াড় রয়েছেন যাদের মূল্যমান রাখা হয়েছে ২৫ লাখ। ১৮ লাখ টাকার ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আছেন ৩৫ জন, ১২ লাখ টাকার ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৫২ জন ও পাঁচ লাখ টাকার ‘ডি’ ক্যাটাগরির ২৮ জন খেলোয়াড়সহ মোট ১৩৩ জন খেলোয়াড়কে রাখা হয়েছে। ৪ নভেম্বর মাঠে গড়াবে বিপিএল-এর এবারের আসর।

গোপনে পরমাণু অস্ত্র সম্ভার বাড়াচ্ছে পাকিস্তান

109077_bdp_pak1ভারত পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা আরো বাড়ছে নিজেদের পাল্টাপাল্টি কর্মকাণ্ডে। কখনও ভারত তাদের ক্ষমতার কথা প্রকাশ করছে আবার কখনও পাকিস্তান হুমকি দিচ্ছে। এবার খবর এলো গোপনে পরমাণু অস্ত্র সম্ভার বাড়াচ্ছে পাকিস্তান।

এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস থেকে পাওয়া ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এবং চলতি বছরের ১৮ এপ্রিলের উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে আইএইচএস জেন’স ইন্টেলিজেন্সের বিশেষজ্ঞরা এমনই দাবি তুলেছেন সম্প্রতি। আর এই দাবি উঠতেই নতুন করে অস্বস্তিতে পড়েছে পাকিস্তান।

শুধু তাই নয়, নজর এড়িয়ে কীভাবে নতুন করে ফের পরমাণু অস্ত্র বানানোর তোড়জোর শুরু করল তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। যদিও গত জুন মাসেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, উত্তর কোরিয়াকে গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম বিক্রি করছে পাকিস্তান। সেই সব সরঞ্জাম পাকিস্তান কিনছে চীনের কাছ থেকে। চীনের সংস্থা ‘বেজিং সানটেক টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড’-এর তৈরি বেশ কিছু পরমাণু সরঞ্জাম উত্তর কোরিয়ার কাছে পাকিস্তান বিক্রি করেছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা।

শুধু তাই নয়, যতই সমালোচনা হোক না কেন, পাক সরকার যে পরমাণু কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসবে না, তা ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী ইশাক দার। মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে ‘পাকিস্তানের পরমাণু বোমা কিনে নাও’ শীর্ষক খবরে ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে পাক পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার নির্মূলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তারই জবাবে পাক সংসদের উচ্চকক্ষে ইশাক দার বলেছেন, পাকিস্তানের ঋণের পরিমাণ ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকলেও পরমাণু কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে আসবে না ইসলামাবাদ।

এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের ৩০ কিলোমিটার পূর্বে কাহুটা এলাকায় নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোদমে পরিকাঠামো নির্মাণের তোড়জোড় চলছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পরিকাঠামো বলে ধারণা হওয়া অংশটি খান রিসার্চ ল্যাবরেটরির কাছে প্রায় ১.২ হেক্টর জায়গার উপর তৈরি হয়েছে। সেখানে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনি রয়েছে। সেখানকার কাঠামোগুলির ধরণ অনেকটা পরমাণু জ্বালানি কোম্পানি ইউরেনকোর তৈরি করা কাঠামোর মত। ইউরেনকো ইউরোপে বিভিন্ন পরমাণু-বিষয়ক পরিকাঠামো তৈরি করে। ফলে সেখানেই গোপনে পাকিস্তান পরমাণু অস্ত্র বানাচ্ছে বলে দাবি করছে এই সংস্থাটি।

তথ্য বলছে, পাকিস্তানে ১২০টির মতো পারমাণবিক অস্ত্র মজুত রয়েছে, যা ভারত, উত্তর কোরিয়া ও ইজরায়েলের চেয়েও বেশি। শুধু তাই নয়, একটি সংস্থার দাবি, প্রত্যেকটি অস্ত্রই নাকি ভারতের দিকে তাক করা রয়েছে। প্রসঙ্গত, পাকিস্তান ১৯৯৮ সালে প্রথম পরমাণু পরীক্ষা চালায়।

আতঙ্কে পাকিস্তান, বার বার যুদ্ধ না করার বার্তা

%e0%a6%86%e0%a6%a4%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8

একদিকে যুদ্ধবিমানের মহড়া দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর হুমকি, অন্যদিকে, ভারত যাতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নেয়, তা নিশ্চিত করতে মরিয়া পাকিস্তাননি কূটনীতিকরা।

একদিকে যুদ্ধবিমানের মহড়া দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর হুমকি, অন্যদিকে, ভারত যাতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নেয়, তা নিশ্চিত করতে মরিয়া পাকিস্তাননি কূটনীতিকরা।
এছাড়া ‘যুদ্ধ করার ঝুঁকি ভারত নেবে না’- পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এখন বার বার এই কথাই বলছেন। নিজেদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ধরে রাখার স্বার্থেই ভারত যুদ্ধ এড়িয়ে যাবে বলেও দাবি করছে তারা। তবে ভারতীয় কূটনীতিকরা বলছেন, ‘স্নায়ুর লড়াইতে দ্বিমুখী নীতি গ্রহণ করে আসলে ভারতকে ঘুরপথে যুদ্ধ না করার বার্তা দিতে চাইছে পাকিস্তান।’
গভীর রাতে ইসলামাবাদের আকাশে এফ-১৬ ওড়ানো বা লাহৌর-ইসলামাবাদ হাইওয়েতে যুদ্ধবিমানের অবতরণ— এমন নানা সামরিক কর্মসূচি চলছে ভারতের পশ্চিম সীমান্তের ওপারে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে গরম গরম বিবৃতিও দিচ্ছেন দেশটির সরকার ও সেনাকর্মকর্তারা। কিন্তু যুদ্ধের জন্য নিজেদের যতই প্রস্তুত বলে দাবি করুক পাকিস্তান, সে দেশের নেতারা যে আতঙ্কে, তা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।
পাকিস্তানের কূটনীতিকরা ভারতের সম্ভাব্য পদক্ষেপ সম্পর্কে কী বলছেন, পাক সংবাদমাধ্যমে তা এখন বড় খবর।
সেই কূটনীতিক বলেন, ভারত নিজেদের অর্থনীতির স্বার্থেই পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে না। কারণ যুদ্ধ হলে ভারতের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
ওই কূটনীতিক আরও বলেন, ‘‘কোনো যুদ্ধ হবে না। যুদ্ধ শুরু করার কোনো ইচ্ছাও নেই। আর ভারতও বুঝতে পারছে যে এই পরিস্থিতিতে একটা যুদ্ধ তাদের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেবে।’
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ভারত। পাকিস্তান যতই রণহুঙ্কার দিক, ভারতের সঙ্গে একক সংঘাতে জড়াতে হলে ফল কী হতে পারে, তা নিয়ে পাকিস্তানের সরকার এবং সেনারা যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় কূটনীতিকরা।
তারা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে ইতিমধ্যেই বিপর্যস্ত পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ তকমা পেয়েছে। বৈদেশিক অনুদান ছাড়া অচল পাকিস্তান। সন্ত্রাসের মদতদাতা হিসেবে পরিচিতি তৈরি হওয়ায় সেই সব অনুদানের উৎসও কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের খরচ জোগানোও যে পাকিস্তানের জন্য খুব কঠিন তা নওয়াজ শরিফ ও জেনারেল রাহিল শরিফ জানেন। তাই পাকিস্তান বার বার যুদ্ধ না করার বার্তা দিচ্ছে।
ভারত যদি পাকিস্তানকে আক্রমণ করে, তাহলে চীন পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করবে, এমন বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। চীন পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে বলে গত শনিবার পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতেও জানানো হয়।
এবিষয়ে ভারতীয় কূটনীতিকরা বলেন, ‘চীনা জুজু দেখিয়ে ভারতের আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। তবে চীন এখনও কোনো বিবৃতি দিয়ে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেনি। ভারতের সামরিক পদক্ষেপকে ভয় পাচ্ছে বলেই পাকিস্তান এমন নানা কৌশল নিচ্ছে।’

জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে যাবে এই দোয়াটি পড়লে। জীবনে ১ বার হলেও পড়ুন..

14483397_1221151874603000_1447898149_n

নামাযের সময়, কুরআন তেলাওয়াতের পূর্বে প্রতিদিন আমরা ওজু করি। সুন্দর ও সঠিকভাবে ওজু করে ছোট্ট একটি দুআ পাঠ করুন। জান্নাতের আটটি দরজা আপনার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা, আপনি প্রবেশ করতে পারবেন।

এই সুন্দর ও সহজ সুন্নাতটি আদায় করতে দশ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগবে না। অথচ উপকার কত বড়! হযরত উকবা ইবনে আমের রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,

‘তোমাদের কেউ যখন ওজু করে, আর সে পূর্ণরূপে সুন্দর করে ওজু করে, এরপর সে নিম্নের দুআটি পাঠ করে, তাহলে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, সে প্রবেশ করতে পারে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৩৪৫)

দুআটি এই :أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ